এর দ্বারা পোস্ট করা
Unknown
এই তারিখে
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
অনন্ত জলিলঢাকাই ছবির আলোচিত নায়ক অনন্ত জলিল সম্প্রতি একটি মোবাইল ফোনের ‘শুভেচ্ছাদূত’ হয়েছেন। ঢাকার গুলশানের নিকেতনে নতুন মোবাইল ফোন ব্র্যান্ড জেলটা মোবাইলের জন্য এক ফটোশুটেও অংশ নেন তিনি।
অনন্তকে দেশের মানুষ নায়ক হিসেবে চিনলেও তিনি একাধারে একজন শিল্পপতি, চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিচালক। এর আগেও একাধিক পণ্য প্রতিষ্ঠানের শুভেচ্ছাদূত হয়েছেন তিনি। তাঁকে নিয়ে নির্মিত বিজ্ঞাপনচিত্রগুলো দর্শকদের আনন্দও দিয়েছে। বিজ্ঞাপনচিত্রে অনন্তর যাত্রা শুরু হয়েছিল মুঠোফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ‘গ্রামীণফোন’-এর সঙ্গে। এই প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনচিত্রে অনন্তর সংলাপ ‘অসম্ভবকে সম্ভব করাই অনন্ত’র কাজ’ বেশ জনপ্রিয়তা পায়। তারই ধারাবাহিকতায় এবারে তিনি জেলটা মোবাইলের শুভেচ্ছাদূত হিসেবে যুক্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
এ ব্যাপারে অনন্ত জলিল বলেন, ‘আমি সবার মতো না। সব সময় সবার থেকে আলাদা থাকার চেষ্টা করি। চলচ্চিত্রের শুরু থেকে সবাই এই ব্যাপারটি টের পেয়েছেন। আমার কাছে কিন্তু প্রায়ই কোনো না কোনো প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছাদূত হওয়ার প্রস্তাব আসে। কিন্তু আমি কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ভালোভাবে চিন্তা করে দেখি যে, এই প্রতিষ্ঠান আমার ইমেজের সঙ্গে কতটুকু মানানসই। সংখ্যায় নয়, আমি মানে বিশ্বাস করি। সবকিছুর বিচারে যখন আমার ব্যক্তিত্বের সঙ্গে যায়, তখনই আমি ‘শুভেচ্ছাদূত’ হওয়ার সিদ্ধান্ত নিই। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।’
নতুন মোবাইল ফোন প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান জেলটা মোবাইলের ‘শুভেচ্ছাদূত’ হওয়া উপলক্ষে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। এতে শুভেচ্ছাদূত হিসেবে অনন্তর কাজ কী হবে, তা বিস্তারিত তুলে ধরা হবে বলেও জানা গেছে।
অনন্তকে দেশের মানুষ নায়ক হিসেবে চিনলেও তিনি একাধারে একজন শিল্পপতি, চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিচালক। এর আগেও একাধিক পণ্য প্রতিষ্ঠানের শুভেচ্ছাদূত হয়েছেন তিনি। তাঁকে নিয়ে নির্মিত বিজ্ঞাপনচিত্রগুলো দর্শকদের আনন্দও দিয়েছে। বিজ্ঞাপনচিত্রে অনন্তর যাত্রা শুরু হয়েছিল মুঠোফোন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ‘গ্রামীণফোন’-এর সঙ্গে। এই প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপনচিত্রে অনন্তর সংলাপ ‘অসম্ভবকে সম্ভব করাই অনন্ত’র কাজ’ বেশ জনপ্রিয়তা পায়। তারই ধারাবাহিকতায় এবারে তিনি জেলটা মোবাইলের শুভেচ্ছাদূত হিসেবে যুক্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।
এ ব্যাপারে অনন্ত জলিল বলেন, ‘আমি সবার মতো না। সব সময় সবার থেকে আলাদা থাকার চেষ্টা করি। চলচ্চিত্রের শুরু থেকে সবাই এই ব্যাপারটি টের পেয়েছেন। আমার কাছে কিন্তু প্রায়ই কোনো না কোনো প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছাদূত হওয়ার প্রস্তাব আসে। কিন্তু আমি কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ভালোভাবে চিন্তা করে দেখি যে, এই প্রতিষ্ঠান আমার ইমেজের সঙ্গে কতটুকু মানানসই। সংখ্যায় নয়, আমি মানে বিশ্বাস করি। সবকিছুর বিচারে যখন আমার ব্যক্তিত্বের সঙ্গে যায়, তখনই আমি ‘শুভেচ্ছাদূত’ হওয়ার সিদ্ধান্ত নিই। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।’
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন