এর দ্বারা পোস্ট করা
Unknown
এই তারিখে
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
অস্ট্রেলিয়া-নিউ জিল্যান্ডের মধ্যে হতে যাওয়া প্রথম দিবা-রাত্রির টেস্ট ম্যাচে গোলাপি বল ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অ্যাডিলেইডে আগামী ২৭ নভেম্বর শুরু হবে ম্যাচটি।
এর প্রস্তুতি হিসেবে গত শুক্রবার ক্যানবেরায় নিউ জিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার প্রাইম মিনিস্টার একাদশের দিবা-রাত্রির ৫০ ওভারের ম্যাচটি হয় গোলাপি বলে। এই ম্যাচে খেলা ভোজেস গোলাপি বল নিয়ে হতাশ। এই বলে টেস্ট ক্রিকেটে নতুন বল পাওয়ার আগে পর্যন্ত টানা ৮০ ওভার খেলা হওয়া নিয়ে সন্দিহান তিনি।
“ম্যাচ শেষে এটাতে গোলাপি রং খুব বেশি আর ছিল না। (নিউ জিল্যান্ডের মার্টিন গাপটিলের) মারা একটি বল, যেটা ছাদে আঘাত করে; সেটা আর ফিরে আসেনি। এটা ছিল ২৮ ওভারের পুরানো এবং দেখাচ্ছিল ৬৮ ওভারের পুরানো বলের মতো।
“মনে হচ্ছিল বার্নিশ উঠে গেছে এবং এটা মূলত সবুজ হয়ে যাচ্ছিল। এটাতে গোলাপি রং খুব কমই বাকি ছিল। কিন্তু শেষে এসে এটা গোলাপির চেয়ে সবুজই বেশি ছিল।”, যোগ করেন তিনি।
বোলারদের জন্য বলটি মোটেই ভালো নয় বলে উল্লেখ করেন ভোজেস। কিছু ওভার পর বল আর সুইং করে না বলে জানান তিনি। এমনকি এই বলে রিভার্স সুইংও পাওয়া যায় না। ভোজেস জানান, শেষ দিকে ব্যাটসম্যানদের জন্য বলটি দেখাও সহজ নয়।
বলের রং পরিবর্তন হয়ে যাওয়া নিয়ে সতীর্থ ভোজেসের সঙ্গে কণ্ঠ মেলান অস্ট্রেলিয়ার পেসার পিটার সিডল।
গোলাপি বলের সমালোচনা করেন অস্ট্রেলিয়ার পেসার জস হেইজেলউডও। তবে তিনি কথা বলেন একজন ফিল্ডারের দৃষ্টিকোণ থেকে।
"স্কয়ার-অন ফিল্ডারদের জন্য বল দেখাটা কঠিন ছিল। …উইকেটের কাছের ফিল্ডারদের জন্য কিছুটা সহজ ছিল।"
এর প্রস্তুতি হিসেবে গত শুক্রবার ক্যানবেরায় নিউ জিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার প্রাইম মিনিস্টার একাদশের দিবা-রাত্রির ৫০ ওভারের ম্যাচটি হয় গোলাপি বলে। এই ম্যাচে খেলা ভোজেস গোলাপি বল নিয়ে হতাশ। এই বলে টেস্ট ক্রিকেটে নতুন বল পাওয়ার আগে পর্যন্ত টানা ৮০ ওভার খেলা হওয়া নিয়ে সন্দিহান তিনি।
“ম্যাচ শেষে এটাতে গোলাপি রং খুব বেশি আর ছিল না। (নিউ জিল্যান্ডের মার্টিন গাপটিলের) মারা একটি বল, যেটা ছাদে আঘাত করে; সেটা আর ফিরে আসেনি। এটা ছিল ২৮ ওভারের পুরানো এবং দেখাচ্ছিল ৬৮ ওভারের পুরানো বলের মতো।
“মনে হচ্ছিল বার্নিশ উঠে গেছে এবং এটা মূলত সবুজ হয়ে যাচ্ছিল। এটাতে গোলাপি রং খুব কমই বাকি ছিল। কিন্তু শেষে এসে এটা গোলাপির চেয়ে সবুজই বেশি ছিল।”, যোগ করেন তিনি।
বোলারদের জন্য বলটি মোটেই ভালো নয় বলে উল্লেখ করেন ভোজেস। কিছু ওভার পর বল আর সুইং করে না বলে জানান তিনি। এমনকি এই বলে রিভার্স সুইংও পাওয়া যায় না। ভোজেস জানান, শেষ দিকে ব্যাটসম্যানদের জন্য বলটি দেখাও সহজ নয়।
বলের রং পরিবর্তন হয়ে যাওয়া নিয়ে সতীর্থ ভোজেসের সঙ্গে কণ্ঠ মেলান অস্ট্রেলিয়ার পেসার পিটার সিডল।
গোলাপি বলের সমালোচনা করেন অস্ট্রেলিয়ার পেসার জস হেইজেলউডও। তবে তিনি কথা বলেন একজন ফিল্ডারের দৃষ্টিকোণ থেকে।
"স্কয়ার-অন ফিল্ডারদের জন্য বল দেখাটা কঠিন ছিল। …উইকেটের কাছের ফিল্ডারদের জন্য কিছুটা সহজ ছিল।"
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন