এর দ্বারা পোস্ট করা
Unknown
এই তারিখে
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
একাই ৮ উইকেট নিয়েছেন রাজশাহীর বাঁহাতি স্পিনার সানজামুল হক। তবে অপরাজিত শতক করে চট্টগ্রামকে ঠিকই বড় লিড এনে দিয়েছেন তাসামুল হক।
চট্টগ্রামের জাতীয় ক্রিকেট লিগের দ্বিতীয় স্তরের ম্যাচে প্রথম ইনিংসে ১৪২ রানের লিড পেয়েছে চট্টগ্রাম। দ্বিতীয় ইনিংসে ২ উইকেটে ৯৭ রান নিয়ে তৃতীয় দিন শেষ করেছে রাজশাহী। ৮ উইকেট হাতে নিয়ে পিছিয়ে তারা এখনও ৪৫ রানে।
চট্টগ্রাম লিড নিয়েছিল আগের দিনই। সোমবার লড়াইটা হয়ে ওঠে তাসামুল ও সানজামুলের। এক দিক থেকে একের পর এক উইকেট নিয়েছেন সানজামুল, আরেক প্রান্ত থেকে দলের রান বাড়িয়ে গেছেন তাসামুল।
সকালে ইরফান শুক্কুরকে (৫৬) ফিরিয়ে রাজশাহীকে প্রথম ব্রেক থ্রু এনে দিয়েছিলেন অবশ্য বাঁহাতি শাফাক আল জাবির। মোহাম্মদ সাইফুদ্দিনকে নিয়ে এরপর ৫৪ রানের জুটি গড়েন তাসামুল।
সানজামুলের স্পিনে এই জুটি ভাঙার পর হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ে চট্টগ্রামের ইনিংস। ৩৩ রানে হারায় তারা শেষ ৫ উইকেট। ১০৬ রানে ৮ উইকেট সানজামুলের। প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারে ৮ উইকেট পেলেন এই নিয়ে দ্বিতীয়বার। ২০১৩ সালে প্রথম বিসিএলের ফাইনালে উত্তরাঞ্চলের হয়ে মধ্যাঞ্চলের বিপক্ষে নিয়েছিলে ৭৩ রানে ৮ উইকেট।
তবে তাসামুলকে হারাতে পারেননি সানজামুল। ইস্পাত কঠিন দৃঢ়তায় শেষ পর্যন্ত থেকে যান ২৪ বছর বয়সী ব্যাটসম্যান। প্রায় ৮ ঘণ্টা ব্যাট করে ৩৭২ বলে অপরাজিত ১৩৪।
৩৪টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচে তাসামুলের এটি অষ্টম শতক।
দ্বিতীয় ইনিংসে রাজশাহী ব্যাট করেছে অনেক সতর্কতায়। তবু দিন শেষ হওয়ার আগে হারাতে হয়েছে ২টি উইকেট।
সংক্ষিত স্কোর:
রাজশাহী ১ম ইনিংস: ২০৮
চট্টগ্রাম ১ম ইনিংস: ১৫৫.৫ ওভারে ৩৫০ (তাসামুল ১৩৪*, শুক্কুর ৫৬, সাইফুদ্দিন ১৮, মেহেদি ০, ইফতেখার ৬, ডলার ৪, নাবিল ১; শাফাক ১৬-৩-৩৮-১, ফরহাদ রেজা ১৯-৫-৪০-০, মুক্তার ২৩-১০-৩৯-০, ফরহাদ হোসেন ৮-০-৪৩-০, সানজামুল ৫৫.৫-১৩-১০৬-৮, নিহাদ ২৮-৭-৬৩-১, নাজমুল ৬-১-১৩-০) ।
রাজশাহী ২য় ইনিংস: ৩৬ ওভারে ৯৭/২ (নাজমুল ৩৯*, মিজানুর ২৭, জুনায়েদ ১৭, নিহাদ ১*; ডলার ৬-০-২৪-০, মেহেদি ৮-১-২৩-১, নাবিল ৩-৩-০-০, ইফতেখার ১০-৩-২১-০, মুমিনুল ২-০-৭-০, সাইফুদ্দিন ৭-২-১৭-১)।
চট্টগ্রামের জাতীয় ক্রিকেট লিগের দ্বিতীয় স্তরের ম্যাচে প্রথম ইনিংসে ১৪২ রানের লিড পেয়েছে চট্টগ্রাম। দ্বিতীয় ইনিংসে ২ উইকেটে ৯৭ রান নিয়ে তৃতীয় দিন শেষ করেছে রাজশাহী। ৮ উইকেট হাতে নিয়ে পিছিয়ে তারা এখনও ৪৫ রানে।
চট্টগ্রাম লিড নিয়েছিল আগের দিনই। সোমবার লড়াইটা হয়ে ওঠে তাসামুল ও সানজামুলের। এক দিক থেকে একের পর এক উইকেট নিয়েছেন সানজামুল, আরেক প্রান্ত থেকে দলের রান বাড়িয়ে গেছেন তাসামুল।
সকালে ইরফান শুক্কুরকে (৫৬) ফিরিয়ে রাজশাহীকে প্রথম ব্রেক থ্রু এনে দিয়েছিলেন অবশ্য বাঁহাতি শাফাক আল জাবির। মোহাম্মদ সাইফুদ্দিনকে নিয়ে এরপর ৫৪ রানের জুটি গড়েন তাসামুল।
সানজামুলের স্পিনে এই জুটি ভাঙার পর হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ে চট্টগ্রামের ইনিংস। ৩৩ রানে হারায় তারা শেষ ৫ উইকেট। ১০৬ রানে ৮ উইকেট সানজামুলের। প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারে ৮ উইকেট পেলেন এই নিয়ে দ্বিতীয়বার। ২০১৩ সালে প্রথম বিসিএলের ফাইনালে উত্তরাঞ্চলের হয়ে মধ্যাঞ্চলের বিপক্ষে নিয়েছিলে ৭৩ রানে ৮ উইকেট।
তবে তাসামুলকে হারাতে পারেননি সানজামুল। ইস্পাত কঠিন দৃঢ়তায় শেষ পর্যন্ত থেকে যান ২৪ বছর বয়সী ব্যাটসম্যান। প্রায় ৮ ঘণ্টা ব্যাট করে ৩৭২ বলে অপরাজিত ১৩৪।
৩৪টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচে তাসামুলের এটি অষ্টম শতক।
দ্বিতীয় ইনিংসে রাজশাহী ব্যাট করেছে অনেক সতর্কতায়। তবু দিন শেষ হওয়ার আগে হারাতে হয়েছে ২টি উইকেট।
সংক্ষিত স্কোর:
রাজশাহী ১ম ইনিংস: ২০৮
চট্টগ্রাম ১ম ইনিংস: ১৫৫.৫ ওভারে ৩৫০ (তাসামুল ১৩৪*, শুক্কুর ৫৬, সাইফুদ্দিন ১৮, মেহেদি ০, ইফতেখার ৬, ডলার ৪, নাবিল ১; শাফাক ১৬-৩-৩৮-১, ফরহাদ রেজা ১৯-৫-৪০-০, মুক্তার ২৩-১০-৩৯-০, ফরহাদ হোসেন ৮-০-৪৩-০, সানজামুল ৫৫.৫-১৩-১০৬-৮, নিহাদ ২৮-৭-৬৩-১, নাজমুল ৬-১-১৩-০) ।
রাজশাহী ২য় ইনিংস: ৩৬ ওভারে ৯৭/২ (নাজমুল ৩৯*, মিজানুর ২৭, জুনায়েদ ১৭, নিহাদ ১*; ডলার ৬-০-২৪-০, মেহেদি ৮-১-২৩-১, নাবিল ৩-৩-০-০, ইফতেখার ১০-৩-২১-০, মুমিনুল ২-০-৭-০, সাইফুদ্দিন ৭-২-১৭-১)।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন